বিদ্যাধ্যয়ন দ্বারা দ্বিতীয় জন্ম প্রাপ্ত না করার কারণে চতুর্থ একজাতি শুদ্র

সনাতন সমাজে বরাবরই শুদ্রকে হীনজ্ঞান করা হয়। অর্থাৎ শুদ্ররা বেদ পাঠ বা শ্রবণ করতে পারবে না অথবা যজ্ঞে অংশগ্রহণ করতে পারবে না ইত্যাদি। যদি শুদ্র বেদপাঠ করে তার জিহ্বা কেটে নিতে হবে এরকম নানান শাস্তির প্রদর্শন স্মৃতিশাস্ত্রকাররা করেছেন। কিন্তু প্রথম কথা হচ্ছে, আমরা মানুষ, পরমাত্মাকে এবং তার বিদ্যাকে জানার অধিকার আমাদের সবার রয়েছে। তবে আমাদের মধ্যে এই ভেদজ্ঞান কেন? পরমাত্মা তো ভেদজ্ঞান করেন নি। তিনি তো সবার জন্য বেদজ্ঞান উন্মুক্ত করেছেন।

বেদে পরমেশ্বর বলছেন -

যথেমাং বাচং কল্যানীমাবদানিজনেভ্যঃ। ব্রহ্ম রাজান্যাভ্যাং শূদ্রায়চার্যায় চ স্বায় চারণায়।প্রিয়ো দেবানংদক্ষিণায়ৈ দাতুরিহ ভুয়াসময়ং মে কামংসমৃধ্যতামুপ মাদো নমতু।। (যজুর্বেদ ২৬।২) অর্থাৎ ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, শুদ্র,বৈশ্য, স্বীয় স্ত্রীর ও সেবকাদি এবং অন্যান্য সকল মানুষকেই আমি এই মঙ্গলদায়িনী বেদবানীর উপদেশ দান করেছি, তোমরাও সেইরূপ অন্যদের উপদেশ করো।

তাহলে এটা স্পষ্ট যে, সকল বর্ণের জন্যই বেদে অধিকার সমান। শুদ্রের বেদে অধিকার নেই,এই বিভেদের সৃষ্টি মানুষরাই করেছে, পরমাত্মা করেন নি। এখন এ পর্যায়ে আমাদের এই শঙ্কার উপস্থিত হয়ে, যদি শুদ্রদেরও বেদে অধিকার তবে শাস্ত্রে তাদের উপনয়নের বিধান নেই কেন? কেননা সংস্কার বিধি অনুযায়ী প্রত্যেক শিশু বেদাধ্যয়নের জন্য গুরুর নিকটে গমণ করবেন এবং গুরু তাদের উপনয়ন সংস্কারের পর গায়ত্রী মন্ত্রে দীক্ষাপূর্বক বেদের অধ্যাপনা শুরু করবেন। কিন্তু, মনুস্মৃতি এবং গৃহ্যসূত্র আদি গ্রন্থে তিনটি বর্ণের উপনয়নের উল্লেখ পাওয়া যায়। যথা -

গর্ভাষ্টমেব্দে কুর্ব্বীত ব্রাহ্মণস্যোপনায়নম্। গর্ভাদেকাদশে রাজ্ঞো গর্ভাত্ত দ্বাদশে বিশঃ।। (মনু০ ২।৩৬) অষ্টমে বর্ষে ব্রাহ্মণমুনেয়ৎ।গর্ভাষ্টমে বা।একাদশে ক্ষত্রিয়ম্।দ্বাদশে বৈশ্যমন।। (অশ্বলায়ন গৃহ্যসূত্র ১।১৯) অর্থাৎ ব্রাহ্মণের অষ্টম বর্ষে, ক্ষত্রিয়ের একাদশ বর্ষে এবং বৈশ্যের দ্বাদশ বর্ষে উপনয়ন বিধেয়।

তাহলে প্রশ্ন এই যে, শুদ্রের কি তবে উপনয়ন সংস্কার সংস্কার নেই? কারণ উপনয়ন সংস্কার না হলে সে তো বেদপাঠ আরম্ভ করতে পারবে না, তাহলে শুদ্র বেদপাঠ করবে কিভাবে? এই শঙ্কার মূল কারণ জন্মগত বর্ণবাদে বিশ্বাস। কিন্তু বর্ণব্যবস্থা তো জন্মানুসারে নয় বরং কর্মানুসারে হয়। গীতায় শ্রীকৃষ্ণ বলছেন - "চাতুর্বণ্যং ময়া সৃষ্টং গুণকর্মবিভাগশঃ"(গীতা০ ৪।১৩) অর্থাৎ আমি গুণ কর্মের বিভাগ অনুসারে চার বর্ণের সৃষ্টি করেছি। বর্ণব্যবস্থা যে কর্মানুসারে সেটা ব্রাহ্মণগ্রন্থেও স্পষ্ট। যথা -

"সঃ (ক্ষত্রিয়ঃ) হ দীক্ষমাণ এব ব্রাহ্মণতামভ্যুপৈতি।। (ঐতরেয় ৭।৩৪)" অর্থাৎ ক্ষত্রিয় দীক্ষিত হয়ে ব্রাহ্মণত্ব প্রাপ্ত করতে পারে। "তস্মাদপি (দীক্ষিতম্) রাজন্যং বা বৈশ্যং বা ব্রাহ্মণ ইত্যেব ত্রুয়ান্, ব্রাহ্মণো হি জায়তে যো যজ্ঞাজ জায়তে।। (৩।২।১।৪০)" অর্থাৎ বৈশ্য বা ক্ষত্রিয় যজ্ঞে দীক্ষিত হয়ে ব্রাহ্মণত্ব গ্রহণ করতে পারেন।

আর বর্ণব্যবস্থা যে কর্মানুসারে সেটি "বর্ণ" শব্দের অর্থ এবং এর ব্যুৎপত্তি দ্বারাই সিদ্ধ হয়। নিরুক্তে "বর্ণ" শব্দের ব্যুৎপত্তি দিয়ে বলা হয়েছে - "বর্ণো বৃণোতে" (২।৩) অর্থাৎ যা বরণ করা হয় তাই বর্ণ। এখন এই চারটি বর্ণ বিষয়ে সংক্ষেপে জেনে নেয়া যাক -

১। ব্রাহ্মণঃ 'ব্রহ্মণ' প্রাতিপদিক দ্বারা 'তদধীতে তদ্বেদ' (অষ্টা০ ৪।২।৫৮) অর্থে "অপ" প্রত্যয় যোগে ব্রাহ্মণ শব্দ হয়। এর ব্যুৎপত্তি এই প্রকার - "ব্রহ্মণা বেদেন পরমেশ্বরস্য উপাসনেন চ সহ বর্তমানো বিদ্যাদি উত্তমগুণযুক্তঃ পুরুষঃ" অর্থাৎ বেদ এবং পরমাত্মার অধ্যয়ন এবং উপাসনাতে নিযুক্ত থেকে বিদ্যা আদি উত্তম গুণ ধারণকারী ব্যক্তিকে ব্রাহ্মণ বলা হয়। ব্রাহ্মণ গ্রন্থে - "ব্রাহ্মণো ব্রতভূত" (তৈ০ স০ ১।৬।৭।২) অর্থাৎ ব্রাহ্মণ শ্রেষ্ঠ ব্রতের আচরণকারী। ব্রাহ্মণের কর্ম হচ্ছে-

অধ্যাপনমধ্যয়নং য়জনং য়াজনং তথা। দানং প্রতিগ্রহশ্চৈব ব্রাহ্মণানামকল্পয়ৎ।।(মনু০ ১।৮৮) - অধ্যয়ন, অধ্যাপনা, যজ্ঞ করা ও করান, দান দেওয়া এবং দান গ্রহণ করা এই ছয়টি ব্রাহ্মণের কর্ম

২। ক্ষত্রিয়ঃ "ক্ষণু" হিংসা অর্থযুক্ত (তনাদি) ধাতুর সাথে 'কতঃ' প্রত্যয় যোগে "ক্ষতঃ" শব্দের সিদ্ধি হয়, আর "ক্ষত" উপপদে ত্রৈঙ্ = পালন অর্থে (ভ্বাদি) ধাতুর সাথে 'অন্বেষ্বপি দৃশ্যতে' (অষ্টা০ ৩।২।১০১) সূত্রের সাথে 'উ' প্রত্যয় পূর্বপদান্যকারলোপ হয়ে "ক্ষত্র" শব্দ হয়েছে। "ক্ষত্র এব ক্ষত্রিয়ঃ" স্বার্থে ইয়ঃ যোগে 'ক্ষত্রিয়'। "ক্ষদন্তি রক্ষতি জনান্ ক্ষত্র" যিনি জনগণের রক্ষা কার্য করেন, অথবা "ক্ষয়তে হিংস্বতে নশ্যতে পদার্থো যেন স ক্ষত্রঃ" অর্থাৎ আক্রমণ, ক্ষতি হতে লোকদের রক্ষা করে তাকে ক্ষত্রিয় বলা হয়। ব্রাহ্মণ গ্রন্থে - "ক্ষত্রং রাজন্যঃ" (ঐতরেয় ৮।৬) "ক্ষত্রস্য বা এতদ্রুপং যদ্ রাজন্যঃ" (শত০ ১৩।১।৫।৩) অর্থাৎ ক্ষত্রিয় ক্ষত্রেরই রূপ, যিনি প্রজার রক্ষক। ক্ষত্রিয়ের কর্ম হচ্ছে -

প্রজানাং রক্ষণং দানমিজ্যাধ্যয়নমেব চ। বিষয়েম্বপ্রসক্তিশ্চ ক্ষত্রিয়স্য সমাসতঃ॥ (মনু০ ১।৮৯) - ব্রহ্মচর্যপূর্বক বেদের অধ্যয়ন করা, অগ্নিহোত্র যজ্ঞ করা, সুপাত্রকে দান করা, প্রজার রক্ষা করা বিষয়ে অনাসক্ত হয়ে জীতেন্দ্রিয় থাকা ক্ষত্রিয়ের কর্ম।

৩। বৈশ্যঃ বিশঃ মনুষ্যনাম (নিঘন্টু০ ২।৩) " বিশ প্রতিপদিক দ্বারা অপত্যার্থে "যঞ" ছান্দস প্রত্যয় যোগে "বৈশ্য" শব্দ হয়েছে। "যো যত্র তত্র ব্যবহারবিদ্যাসু প্রবিশতি সঃ বৈশ্যঃ ব্যবহারবিদ্যাকুশলঃ জনো বা" যিনি বিবিধ ব্যবহারিক বিষয়ে প্রবিষ্ট থাকে এবং বিবিধ বিদ্যাতে কুশল, তিনি বৈশ্য। ব্রাহ্মণগ্রন্থে - "এতদ্ বৈ বৈশ্যস্য সমৃদ্ধং যং পশবঃ" (তা০ ১৮।৪।৬), "তস্মাদু বহুপশু বৈশ্বদেবো হি জগতো বৈশ্য" (তা০ ৬।১।১০) অর্থাৎ পশুপালন দ্বারা বৈশ্যের সমৃদ্ধ হয়, এটিই বৈশ্যের কর্তব্য। বৈশ্যের কর্ম হচ্ছে -

পশুনাং রক্ষণং দানমিজ্যাধ্যয়নমেব চ। বণিক্পথং কুসীদং চ বৈশ্যস্য কৃষিমেব চ।। (মনু০ ১।৯০) - গবাদি পশুর পালন এবং বৃদ্ধি করা, বিদ্যা ও ধর্মের বৃদ্ধি করতে ও করাইতে ধনসম্পত্তি ব্যয় করা, অগ্নিহােত্রদি যজ্ঞ করা, বেদাদি শাস্ত্রের অধ্যয়ন করা, সর্বপ্রকার বাণিজ্য করা এবং বৃদ্ধির জন্য ধন প্রয়োগ করা এগুলো বৈশ্যের গুণ ও কর্ম।

৪। শুদ্রঃ শুচ্ - শোকার্থক (ভ্বাদি) ধাতুর সাথে "শুচের্দশ্চ" (উণা০ ২।১৯) সুত্রের সাথে "রক্" প্রত্যয়, উকারকে দীর্ঘ, চ কে দ করে শুদ্র অর্থ হয়েছে। শুদ্র = শোচনীয়ঃ শোচ্যাং স্থিতিমাপন্নো বা, সেবায়াং সাধুর্ অবিদ্যাদিগুণসহিতো মনুষ্যো বা" অর্থাৎ শুদ্র সেই ব্যক্তি যিনি নিজের অজ্ঞানতার কারণে কোন প্রকারের উন্নত স্থিতি প্রাপ্ত করতে পারে না এবং যিনি নিজের নিম্ন স্থিতির হওয়ার কারণে তথা নিজের উন্নতির চিন্তা করেন তথা নিজের প্রভূর ভরণ পোষণের চিন্তা করেন ওইরূপ সেবক মানুষ। ব্রাহ্মণ গ্রন্থেও এই ভাব দেখা যায় - "অসতো বা এষ সম্ভূতো যৎ শুদ্রঃ" (তৈ০ ৩।২।৩।৯) অর্থাৎ অজ্ঞানতার কারণে যার নিম্ন জীবনস্থিতি, যে কেবল সেবা আদি কার্য করে, ওইরূপ মানুষ শদ্র। শুদ্রের কর্ম হচ্ছে -

একমেব তু শূদ্রস্য প্রভুঃ কর্ম সমাদিশৎ। এতেষামেৰ বর্ণনাং শুশ্রষামনসূয়য়া।। (মনু০ ১।৯১) -নিন্দা, ঈর্ষা এবং অভিমানাদি দোষ পরিত্যাগ করে ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, এবং বৈশ্যদিগকে যথােচিত সেবা করা শূদ্রের কর্তব্য এবং তদ্দ্বারাই জীবন যাত্রা নির্বাহ করা। এটিই শূদ্রের একমাত্র গুণ এবং কর্ম।

মোটকথা বেদজ্ঞানী এবং পরমাত্মার উপাসনাতে নিযুক্ত উত্তম গুণ ধারণকারী ব্যক্তিই ব্রাহ্মণ। জনগনের রক্ষা কার্য যারা করেন তারাই ক্ষত্রিয়। আর যারা বিভিন্ন ব্যবহারিক বিদ্যাতে কুশল এবং ব্যবসায়ী তারাই বৈশ্য। এবং অজ্ঞান তথা বিদ্যাহীন মানুষদের শুদ্র বলা হয়, কারণ তারা বিজ্ঞান সম্বন্ধিয় কার্য করতে পারে না কিন্তু কায়িক পরিশ্রম করতে পারে। এজন্য তারা সেবামূলক কার্যে নিযুক্ত থাকেন। এভাবে রাষ্ট্রে কর্মানুসারে বর্ণবিভাগ করা হয়েছে।

এখন পাঠকগণ প্রশ্ন করতে পারেন, যদি বর্ণ জন্মগত না হয় তাহলে উপনয়নের জন্য প্রত্যেক বর্ণের বালকের জন্য একেক বর্ষ নির্ধারিত কেন? আর শুদ্রের জন্যও কেন উপনয়নের দিন নির্ধারিত হলো না? এই প্রশ্নের উত্তর কিন্তু উপরের বর্ণনার মধ্যেই রয়েছে, শুধু বিচারের প্রয়োজন মাত্র। কোন ছোট শিশুই কোন বর্ণ নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন না। প্রত্যেক শিশু তো অজ্ঞানী হয়েই জন্মগ্রহণ করেন তারপর বিদ্যা অর্জনের পর নিজের মেধা অনুসারে নিজ নিজ পদ গ্রহণ করতে পারে। কেউ বেদবিশারদ্, কেউ ভালো যোদ্ধা, কেউ ব্যবহারিক বিদ্যাতে নিপুন আবার কেউবা এসবের কোনটাতেই দক্ষ না হয়ে অজ্ঞানীই রয়ে যান। এজন্য সন্তানের ইচ্ছায় অথবা পিতামাতার ইচ্ছানুযায়ী সেই বর্ণে সেই সন্তানকে উক্ত বর্ষে উপনয়ন সংস্কার করা হয়। যেমন মনু বলছেন -

ব্রহ্মবর্চসকামস্য কার্য বিপ্রস্য পঞ্চমে। রাজ্ঞো বলার্থিন ষষ্ঠে বৈশ্যস্যেহার্খিনোষ্টমে।। (মনু০ ২।৩৭) -এই সংসারে যার ব্রহ্মতেজ, বিদ্যা আদির শিঘ্র এবং অধিক প্রাপ্তির কামনাকারী ব্রাহ্মণ বর্ণের ইচ্ছুকের (মাতা পিতার ইচ্ছার অাধারে প্রয়োগ) উপনয়ন সংস্কার পঞ্চম বর্ষে করা উচিৎ। এই সংসারে বল-পরাক্রম আদি ক্ষত্রিয় বিদ্যার অধিক প্রাপ্তির কামনাকারী ক্ষত্রিয় বর্ণের ইচ্ছুকের ষষ্ঠ বর্ষে এবং এই সংসারে ধন ঐশ্বর্যের শিঘ্র কামনাকারী বৈশ্য বর্ণের ইচ্ছুকের অষ্টম বর্ষে উপনয়ন সংস্কার দেয়া উচিত।

আর উপনয়নে শুদ্রের উল্লেখ না থাকাই প্রমাণ করে যে, মনু উপনয়ন এবং বেদারম্ভের দীক্ষার পূর্বে কাউকে জন্মগত শুদ্র মানতেন না। কারণ এই দ্বিজ দীক্ষার সংস্কার তিন প্রকারের। যে সন্তান যেই বর্ণের প্রবেশ করতে চায় সে সেই বর্ণে দীক্ষা গ্রহণ করবেন। অর্থাৎ পিতামাতার সংকল্প অনুযায়ী সন্তান ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় এবং বৈশ্য বর্ণে দীক্ষিত হন। এভাবে শিক্ষা দীক্ষার পর যে এই তিন বর্ণের গুণকে ধারণ করতে পারে না তিনি শুদ্র হয়ে থাকেন। আর কোন পিতা মাতাই চান না যে, তার পুত্র শুদ্রত্বে দীক্ষা গ্রহণ করুক। কেননা শুদ্র বর্ণ তার যোগ্যতা অনুসারে পরবর্তীকালে আচার্য তা ঠিক করেন এজন্য উপনয়নে শুদ্রের উল্লেখ করা হয় নি। মনুস্মৃতিতে এ বিষয়ে বলা হয়েছে -

ব্রাহ্মণঃ ক্ষত্রিয়ো বৈশ্যস্ত্রয়ো বর্ণা দ্বিজাতয়ঃ। চতুর্থ একজাতিস্তু শুদ্রো নাস্তি তু পঞ্চমঃ। (মনু০ ১০।৪) -অর্থাৎ বিদ্যাধ্যয়ন দ্বারা দ্বিতীয় জন্ম গ্রহণ করার কারণে ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় এবং বৈশ্য দ্বিজ। এই প্রকার বিদ্যাধ্যয়ন দ্বারা দ্বিতীয় জন্ম প্রাপ্ত না করার কারণে চতুর্থ একজাতি শুদ্র। ইত্যোম্

Enjoy
Free
E-Books
on
Just Another Bangladeshi
By
Famous Writers, Scientists, and Philosophers 
Our Social Media
  • Facebook
  • Twitter
  • Pinterest
Our Partners

© 2023 by The Just Another Bangladeshi. Proudly created by Sen