এক ডাক্তার জ্বিনের বাস্তব ঘটনাঃ ৩য় পর্ব

মানুষের মত না? কি বলো? আজ এতদিন পার হয়ে গেল কই আমি তো কিছুই দেখলাম না? তোমার কেন অমন মনে হল? ভাইয়াকে প্রশ্ন করলাম।


ভাইয়া বললো, দেখ আমি তো এই জ্বীন জাতিকে নিয়ে অনেকদিন হলো পড়াশুনা করছি, তাই একটু হলেও কিছু ধরতে পারি। জ্বীন যখন মানুষের রূপ ধারণ করে, তখন ওরা শতভাগ মানুষের মত রূপ ধারণ করতে পারেনা। কিছু সমস্যা থেকেই যায়। তবে সকলের ক্ষেত্রেও আবার এক নয়।

আমি আর কিছু আসলে শুনতে চাচ্ছিলাম না। তাই অন্যদিকে কথা ঘুরিয়ে নিই। ভাইয়া রুম থেকে বেরিয়ে যাবার আগে বলি, তুমি একটু ঐ ইমাম সাহেবের সাথে কথা বলো প্লিজ। কেমন?

পরদিন মাহদীর সাথে আবার দেখা। মাহদী যেন কেমন করে তাকাতো। এভাবে কখনো তাকাতো না আগে! তবে কিছু একটা সে বলতে চায় আমি বুঝতে পারতাম, কিন্তু বলতে পারতো না বা বলতো না।

বাসায় যাবার পরে ভাইয়ার সাথে দেখা হলে ভাইয়া বলে যে ইমাম সাহেবের কাছে উনি গিয়েছিলেন কিন্তু ইমাম সাহেবের তরফ থেকে এমন কিছুই আশা করা সম্ভব না যাতে বোঝা যায় কে জ্বীন আর কে মানুষ। এরই মধ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে মেডিকেল কলেজ বন্ধ হয়ে গেল। আমার আর মাহদীর যোগাযোগে তাতে ভাটা পড়লো না। আমরা নিয়ম করে দেখা করতাম। তো একদিন আমি সাহস করে ওকে জিজ্ঞেস করেই ফেললাম, মাহদী তুমি কি জানো যে তোমার হৃৎপিন্ড বুকের ডান পাশে?

ও আমার হাতটা নিয়ে ওর হাতের মধ্যে রাখে। রেখে আমাকে হাসি মুখে বলে, এতদিন পরে এসে তোমার সাহস হলো এই কথা বলার? ভালোবাসার মানুষকে ভয় পাও?

আমি অভিমানে বলে উঠি, আমি ভয় পাই? নাকি তুমি? কে কার কাছ থেকে নিজেকে লুকায়? বলো?

মাহদী বলা শুরু করে, শোনো মিথিলা, আমার হৃৎপিন্ড ডান পাশে তা নিয়ে তোমার দুঃশ্চিন্তা, আমার ফোনের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন, আমার হাতের ছোঁয়া নিয়ে তোমার ভাবনা, তারপর এই সব কিছু মিলিয়ে তোমার মনের সবচাইতে বড় প্রশ্ন, আমি কে? আসলেই কে? কি আমার পরিচয়? আমি মানুষ নাকি জ্বীন? তোমার এসব চিন্তা-ভাবনার আমি সব জানি। আরো ভাল করে শোনো, সেদিন তোমার কপালে দুইবার হাত বুলিয়ে দিয়েছিলাম, তোমার মনের খবর নিতে। আর ঠোঁট কপালে ছুয়েঁছিলাম তোমার জ্বর কমাতে। তোমার হাতের সাথে আমার হাত স্পর্শ করলে আমি তোমাকে পড়তে পারি। তোমাকে এতখানি টেনশানে রাখার জন্য আমি সত্যিই খুব দুঃখিত। তবে আমারও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে সে কথা বলতেই হবে। তোমার ভাইও আরেকজন মজার মানুষ। মানুষের কাছ থেকে শুনে শুনে সব বিশ্বাস করে। আমি জানলাম কি করে? তাইতো? নাহ, আমি অদৃশ্য হয়ে তোমার আশেপাশে থাকিনা। সেটা এক কথায় এতটা সম্ভব না। তবে ঐ যে বললাম, তোমার হাত স্পর্শ করলে আমি তোমাকে পড়তে পারি! আর যে ইমামের কথা বলেছিলেন তোমার ভাই, তার ইতিহাস আমার জানা হয়েছে। সারাজীবন মানুষের সামনে ইমামতি করে গিয়েছেন আর তলে তলে শয়তানের সাথে সখ্যতা করে গিয়েছেন। জ্বীনে ধরেছে, জ্বীনের আছর আছে বলে সরল মানুষের কাছ থেকে টাকা পয়সা খেয়ে এখন হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছেন। যাইহোক, আমাকে নিয়ে এত সংশয় থাকার পরেও তুমি মনে মনে যে একবারও সম্পর্ক শেষ করার কথা ভাবোনি তাতে করে আমি সত্যিই অবাক! তবে ভাবলেও আমার নিজের ভাবনার কিছু থাকতো না। কারণ যে দুঃশ্চিন্তার মাঝে তোমায় রেখেছিলাম, তা আসলেই উচিত ছিলনা। আজ আরো অনেক কথা তোমাকে বলার আছে। আশা করি তোমার সময় আছে?

আমি বললাম, তোমার সব কথা শোনার সময় আমার আছে। তুমি বলো। ও আবার বলা শুরু করলো,

জ্বীন সমাজে ডাক্তারের ভীষণ চাহিদা। জ্বীনদের মধ্যে মারামারি-কাটাকাটি মানব জাতির চাইতে বহুগুণে বেশী। মানুষের রূপ ধরে এসে মানুষ-ডাক্তারদের কাছ থেকে চিকিৎসা নিলেও সেটাতে সুস্থ হতে অনেক সময় লাগে। কেন? কারণ, জ্বীন যখন মানুষের রূপ ধরে, তখন তার নিজ শারীরিক আকৃতির পরিবর্তন ঘটে এবং অনেক ক্ষতস্থান মানুষের দৃষ্টিগোচর হয়না। আর আমি যে এতদিন বলছিলাম আমার ভাই অসুস্থ, আসলে জাতিগত বিভেদের কারণে ও ধর্মীয় কারণে একটা বড় যুদ্ধ হয়। সেখানে আমার ভাই খুব ভালো মতই জখম হয়। কিন্তু আমাদের সমাজ এখনো মানব সমাজের মত করে উন্নত হতে পারেনি। এই জন্যই তোমরা আশরাফুল মাখলুকাত। সৃষ্টির সেরা জীব। তোমাদের চাইতে আমাদের ভিন্ন ভিন্ন ক্ষমতা থাকতে পারে, আমরা আলোর গতিতে চলতে পারি, ফিরতে পারি ঠিক আছে। কিন্তু আমাদের অনেক কিছুই নেই যা তোমাদের আছে। এখন তোমার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, এত ক্ষমতা থাকতেও নিজেদের অসুস্থতা কেন নিজেরা ঠিক করতে পারিনা? কেন ক্ষত এমনি এমনি সেরে যায়না? আসলে তোমাদের মানুষের মধ্যে আমাদের কে নিয়ে হাজার হাজার বছর ধরে অনেক মিথ্যে কথা বা রূপকথা প্রচলিত। যার বেশিরভাগই আসলে ঠিক না। আমাদের কোথাও ক্ষত হলে সেটার চিকিৎসা প্রয়োজন। আমাদেরও রোগ-বালাই আছে। বলেছিলাম আমার বাবা নেই। আমার বাবাও রোগে মারা যান। হযরত ঈসা আঃ এর সময়ের আগে থেকে উনি জীবিত ছিলেন। কি রোগে তিনি মারা যান সেটা আমাদের সমাজে বের করা সম্ভব হয়নি।

তখন আমি আর নিজেকে প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকতে পারিনা। তাহলে তোমরা কি হাজার হাজার বছর ধরে বাঁচো? - হ্যাঁ আমার নিজের বয়সও হাজারের ওপরে।

তাই যদি হয়ে থাকে, তবে নিশ্চয় তুমি বা তোমার বাবা আমাদের মহানবী (সাঃ) কে দেখেছেন? – নাহ, সেই সুযোগ তার হয়নি।

কেন? – কারণ, কোরান নাযিল হবার সময় থেকে আকাশে একটা বলয় এর সৃষ্টি হয় যেন আমরা জ্বীন জাতি খুব বেশি উপরে না যেতে পারি, আমাদের পূর্ব-পুরুষেরা আগে আসমানী খবর পেতো...............

(লেখক কথনঃ এখানে অনেক ধর্মীয় ব্যাপার থাকায় সেগুলো আমি এড়িয়ে গেলাম, যেহেতু ধর্ম খুব স্পর্শকাতর ব্যাপার, অনেকেরই সেটা নিয়ে ভিন্ন মতামত থাকতে পারে বিধায় আমি ধর্মীয় অংশ গুলো বাদ দিয়ে লিখছি)

তো যাইহোক, আমি আমার ভাই এর কথা বলছিলাম, তাকে একটা ভারতের একটা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

মাহদী কে থামিয়ে দিয়ে জিজ্ঞেস করি, দাঁড়াও মাহদী, এটা কেমন কথা? তোমরা না আলোর বেগে চলতে পারো? এত জায়গা থাকতে ভারত কেন? তাকে তো ইচ্ছে করলেই আমেরিকা নিয়ে যেতে পারো।

ও জবাব দেয়, নাহ! আমরা জ্বীন হিসেবে যখন চলাফেরা করি, সেটা একটা কথা। কিন্তু মানুষ হয়ে চলাফেরা করার একটা সীমাবদ্ধতা আছে। আমাদেরকে মানুষের মত করেই একটা প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। যেহেতু আমরা বছরের পর বছর ধরে এই মাটিতেই বসবাস করছি, আমাদের আদি নিবাস বান্দরবানের পাহাড়ি এলাকা, আমাদের মধ্যেও মাতৃভূমির টান আছে। আমাদের মধ্যে যতটা আছে, ততটা তোমাদের নেই। তো প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় বলে, বাংলাদেশের জন্ম লগ্ন থেকেই আমরা বাংলাদেশী। হ্যাঁ, আমরা ইচ্ছা করলেই আমেরিকা গিয়ে রূপ বদলাতে পারি, কিন্তু ওখানে যাবার পর হাসপাতালে যখন ডকুমেন্টস দেখতে চাইবে তখন? কি ভাবছো যে আমরা জ্বীন বলে পাসপোর্ট বানিয়ে ফেলবো? নাহ! তা নয়। মানুষের রূপে আমরা যেন পুরোটাই মানুষ। যেটা বলছিলাম আরকি! তো ভাইকে ভারতে নিয়ে যাবার পরে দেখা গেল, তার যেসকল অংশ মানুষ-রূপে দৃশ্যমান সেগুলোতেই ক্ষত সারানো সম্ভব। যেহেতু আমাদের শারীরিক গঠন ভিন্ন রকমের, তাই এই সমস্যা।

আমি নিজেকে প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকতে পারছিলাম না। মাহদীকে জিজ্ঞেস করি, তো এখানে যে মেডিকেল পড়ছো, এখানে তো আমরা মানুষদের দেহ নিয়ে পড়াশুনা করি। এটা পড়ে তোমাদের কি লাভ?

ও বলে, লাভ আছে, লাভ না থাকলে তো বোকার মত এখানে আসতাম না, আসলে আমাদের আকৃতির সাথে তোমাদের আকৃতির ৭০-৮০- শতাংশ মিল। তোমাদের শরীরে যে সকল অংগ-প্রত্যংগ রয়েছে, আমাদেরও তাই। শুধু কিছু পার্থক্য আছে, যেমন আমাদের মধ্যে অনেকেরই পিঠে পাখা আছে। যা পাখির মত ভাজ করে রাখা যায়। তবে সেটা আমরা ওড়ার কাজে ব্যবহার করিনা। আমরা সবাই উড়ি না। আমরা আলোর বেগে স্থান বদলাতে পারি। এই পাখা মূলত আমরা যুদ্ধে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করি। যে বাকি ২০-৩০ শতাংশের মিল পাওয়া যায়না সেটা নিয়ে আমরা গবেষণা করি।

তোমাদের কি গবেষণাগার আছে? – মাহদী বলে, হ্যাঁ। একটা করেছি আমাদের নিজেদের জন্য, তবে আমাদের জনসংখ্যা যেহেতু তোমাদের চাইতেও বেশি, তাই যা আছে সারা পৃথিবী মিলে, সেটাতে আমাদের পোষাচ্ছে না। আমাদের ইউরোপের হাসপাতালটা বেশি উন্নত। ইংল্যান্ডে সেটা। আমাদের জাতির গোত্রদের মধ্যে এখন আগের চাইতে অনেক শান্তি। মহানবী (সাঃ) আসার আগে আমাদের মধ্যে অশান্তির ধারা অব্যাহত ছিল...............

(ধর্মীয় কথা এড়িয়ে গেলাম)

তো এই চিকিৎসার ব্যাপারটা আমাদের মধ্যে অনেকটাই একতা এনেছে। যে যেভাবে পারছে ডাক্তার হবার চেষ্টা করছে, মিলেমিশে থাকার চেষ্টা করছে। আরেকটা গ্রুপ চেষ্টা করছে শান্তি আনার কাজে। ঠিক তোমাদের জাতিসংঘের আদলে। কিন্তু আমাদের জাতিসংঘ তোমাদেরটার মত বাটপারি সংস্থা নয়।

তোমাদের জ্বীনদের সাথে আমাদের মানুষদের শারীরিক পার্থক্যের কথা একটু বলো। - আমরা তোমাদের মত না, মানুষের একটা নির্দিষ্ট আকার আছে, কেউ লম্বা, কেউ খাটো। গায়ের রঙ- এ ভিন্নতা আছে। আমাদেরও তাই। তবে আমাদের মধ্যে কিছুর পাখা আছে যেটা আগেই বলেছি, কারো পায়ের ও হাতের আঙ্গুল গুলো বড়। কারো শরীরে প্রচুর লোম হয়, অতিরিক্ত। কারো মাথার খুলি একটু লম্বাটে হয়, কারো শারীরিক আকৃতি কুকুরের মত অনেকটা। শয়তান জ্বীনরা নিজেদের আকৃতি সবসময় ওদের বাবা ইবলিসের মত করে রাখতে ভালোবাসে। জ্বীনদের আদি-পিতার সে একজন। কিন্তু সে সমাজ বিচ্যুত। সে কথা তো জানোই।

জিজ্ঞেস করি, ইবলিসের মত করে রাখে মানে? – সে কথার ব্যাখ্যা আমি দিতে পারবো না মিথিলা, এসব কথা না বলাই ভালো।

অনেক সাহস আর প্রত্যাশা নিয়ে বলি, মাহদী আমি তোমাকে তোমার আসল আকৃতিতে দেখতে চাই।

মাহদী বলে, নাহ সেটা সমভব না। আমার প্রচন্ড মন খারাপ দেখে ও আমার দুই গালে হাত রেখে বলে, শোনো, আমার প্রকৃত রূপ দেখলে তুমি ভয় পাবে, তুমি আমাকে হয়তো আর ভালোবাসবে না। দয়া করে এমন অনুরোধ তুমি আমায় করো না। মানুষের সামনে নিজেদেরকে উন্মোচন করার একটাই উপায় আছে আমাদের। সেটা হলো ছায়া আকৃতিতে। এর বেশি কিছু না। তবে সেটাও অনেক কঠিন। তোমাদের অনেকেই বলে যে জ্বীন দেখেছে, জ্বীনের আকৃতিতে, এসব মিথ্যে কথা। আমাদের সেরকম ক্ষমতা থাকলে তো তোমরা আমাদের দাপটে টিকতে পারতে না। সৃষ্টিকর্তা আমাদেরকে এই কারণেই তোমাদের চোখে অদৃশ্য করে রেখেছেন। তোমাদের ওপর আমাদের ছড়ি ঘোরানোর ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছেন। যেটাও করা হয়, সেটা জাদুর মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে গিয়ে।

আমি নিজে নিজেই অবাক হয়ে যাচ্ছি যে মাহদীর ব্যাপারে এত কিছু জানার পরেও ওর প্রতি আমার ভালোবাসা কিংবা আবেগের একটুও পরিবর্তন ঘটেনি। হঠাৎ করে আমার মোবাইল কোম্পানির কথা মনে পরে গেল। আমি ওকে ঐ ব্যাপারে কিছু বলার জন্য বললাম আর জিজ্ঞেস করলাম, এখন কেন ফোন ব্যবহার করছো না? কি হয়েছে?

ও বলে, আসলে আমি যা করেছি তা ঠিক করিনি। আর এখানে তোমার অনেক ক্ষতি হতে পারতো। এই জন্য আমি ব্যবহার করা বন্ধ করে দিয়েছি। ওদের উপর মহলে আসলে এটা নিয়ে অনেক কথা হচ্ছিলো। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে যাবার মত কাহিনী হতে পারতো, তবে তোমার বাবার জন্য সেটা হয়নি। কারণ, খোঁজটা তুমিই দিয়ে উধাও হয়ে যাচ্ছিলে। আমি আসলে আমার কিছু ক্ষমতা কাজে লাগিয়েছিলাম। তাও যে খুব বেশি তা নয় কিন্তু। ওদের নেটওয়ার্কের সিগন্যাল টা ব্যবহার করছিলাম। পরবর্তীতে একটা বোকামো করি। থাক সে কথা। কথা হচ্ছে, শুধু তোমার কথা ভেবেই আমি এটা থেকে দূরে আছি। ভাবছি একটা ফোন কিনে নেব। আমার মানুষ পরিচয় দিয়ে।

আমি ওকে জিজ্ঞেস করি, আচ্ছা, তোমরা টাকা পয়সা কোথায় পাও? ছোটবেলায় শুনেছি, তোমাদের নাকি টাকা-পয়সা খাবার এসব নিয়ে চিন্তা করতে হয়না? আসলেই কি তাই? আর নেটওয়ার্কের সিগন্যালই বা কিভাবে ব্যবহার করতে পারো?

Enjoy
Free
E-Books
on
Just Another Bangladeshi
By
Famous Writers, Scientists, and Philosophers 
Our Social Media
  • Facebook
  • Twitter
  • Pinterest
Our Partners

© 2023 by The Just Another Bangladeshi. Proudly created by Sen